superadmin
প্রকাশ : Sep 26, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

সরকারের অগ্রাধিকার পরিকল্পনায় বিশ্বমানের পর্যটন শিল্প : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, পরিবেশবান্ধব ও বিশ্বমানের শিল্পে উন্নীত করা সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম অগ্রাধিকার।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পর্যটন শুধু অবকাশযাপনের সুযোগ নয়; এটি কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ এবং আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে বিশ্বে তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, পরিবেশবান্ধব ও বিশ্বমানের শিল্পে উন্নীত করা আমাদের উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম অগ্রাধিকার।’

এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে তিনি বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে পর্যটনশিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগকারী, পর্যটন পেশাজীবী ও উদ্যোক্তা, দেশ-বিদেশের পর্যটক এবং দেশের সর্বস্তরের পর্যটনপ্রেমীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

পর্যটন দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় আগামীর পর্যটন’-পর্যটনের ভবিষ্যৎ রূপান্তরের দিকনির্দেশনা তুলে ধরে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিগ ডেটা ও স্মার্ট প্রযুক্তি পর্যটনসেবা আরো ব্যাপক, সহজ, নিরাপদ ও ব্যক্তিকেন্দ্রীক করার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনি ইশতেহারে পর্যটনকে একটি আধুনিক ও ভূমি-সাশ্রয়ী সেবাখাত হিসেবে বিকশিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন, প্রয়োজনীয় আইন ও নীতিমালার আধুনিকায়ন এবং পর্যটন ব্যবস্থাপনায় কাঠামোগত সংস্কারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বর্তমানে সরকার সকল অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করে চলছে।

তিনি বলেন, এরই অংশ হিসেবে দেশের নিজস্ব ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরে ৩০টিরও বেশি জেলায় পর্যটন ক্লাস্টার গড়ে তোলা হচ্ছে। পাশাপাশি কমিউনিটি, ইকো, গ্রামীণ, কুলিনারি, নদী ও উপকূলীয় পর্যটনের বিকাশ ঘটিয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে পর্যটন অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করা হবে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে আধুনিক হোটেল, বিনোদনকেন্দ্র ও পর্যটন আকর্ষণ গড়ে তোলার কার্যক্রম বাস্তবায়নাধীন। ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের পর্যটন ব্যবসা এবং নতুন পর্যটন স্টার্টআপের জন্য নীতিগত সহায়তা ও সহজ শর্তে ঋণের সুযোগ বাড়ানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যটন সম্প্রসারণে ২০৩৪ সালের মধ্যে একটি বিস্তৃত জাতীয় বিমান যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে বাংলাদেশকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বিমান চলাচল কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক পর্যটকদের বাংলাদেশে আসা-যাওয়া আরো সহজ করবে। উচ্চমূল্য সংযোজনকারী হোটেল, রেস্তোরাঁ ও বিনোদন কেন্দ্রসহ কম ভূমিনির্ভর সেবাখাতের প্রসারের মাধ্যমে সীমিত ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জ্বালানি তেল বিক্রিতে আজ থেকে রেশনিং থাকছে না, প্রয়োজনমতো

1

ফুলবাড়ীতে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে প্

2

ফুলবাড়ীতে আঁখ চাষে লাভবান কৌশিক রায় ও তার পরিবার

3

সাত বিভাগে সমাবেশ করবে জামায়াতসহ ১১ দল

4

ট্রাম্প রাজি হলেও,রাজি নয় ইরান

5

জলঢাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

6

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌরসভায় দেড় যুগ ধরে অচল পানি সরবরাহ

7

দক্ষিণ লেবাননে পানি সরবরাহ কেন্দ্রে ইসরায়েলের হামলা

8

কুড়িগ্রামে সাংবাদিকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

9

সুন্দরবনে অভিযানে হরিণ শিকারের ৪১টি ফাঁদ জব্দ

10

উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ড্রয়ে অপেক্ষায় বাংলাদেশ

11

চট্টগ্রাম শিপইয়ার্ডে দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকের ৮ দিন পর মৃত্যু

12

টি–টুয়েন্টিতে বাবর কি তাহলে সত্যিই ‘অচল’

13

ইডেন কলেজে ফিরছে এইচএসসি পাঠদান

14

সিরাজগঞ্জে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধে ভরা হাসপাতালের স্টোর

15

গাবতলীতে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কমিটির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ

16

খালেদা জিয়া সাজ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন চমক

17

আফ্রিকার ৫৩ দেশকে শুল্কমুক্ত রপ্তানির সুযোগ দিলো চীন

18

রাশিয়া থেকে ৬ লাখ টন ডিজেল আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চা

19

রাজাপুরে খালের মধ্যে দোকান নির্মাণের অভিযোগ

20
ফটোকার্ড বানাতে ক্লিক করুন